ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ , ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ বন্ধুরা মিলে মদ পানে ৩ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ৮ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন ড. ইউনূস শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা এনসিপির অভিযোগ— স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নেই ফোর্বসের প্রতিবেদন: বিশ্বধনীদের তালিকায় শীর্ষে যারা তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা আবহাওয়া অফিসের ট্রেন থেকে ছোড়া পানির বোতল বুকে লেগে কিশোরের মৃত্যু ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে ২ যুবকের মৃত্যু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, পাকিস্তান ও ভারতীয় সেনাদের গোলাগুলি আমার ওপর যুদ্ধাপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে : জামায়াতের আমির ব্যাঙ্ককে ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব রংপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, কিশোর গ্রেফতার সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নতুন নয়: ড. খলিলুর রহমান ঈদের তৃতীয় দিনেই সিনেপ্লেক্স থেকে নেমে গেল শাকিবের যে সিনেমা ভূমিকম্প: ত্রাণের গাড়ি লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি জান্তা সরকারের ‘টপ গান’ খ্যাত অভিনেতা ভ্যাল কিলমার মারা গেছেন শাশুড়ির গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলো জামাই নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে : মির্জা ফখরুল সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গি সমস্যা উত্থিত হয়নি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিয়ের প্রতি অনীহা কমছেই না চীনাদের, ২০ শতাংশ কমল বিয়ের হার

  • আপলোড সময় : ১২-০২-২০২৫ ১০:৪২:০০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০২-২০২৫ ১০:৪২:০০ পূর্বাহ্ন
বিয়ের প্রতি অনীহা কমছেই না চীনাদের, ২০ শতাংশ কমল বিয়ের হার
চীন সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েও তরুণ–তরুণীদের মধ্যে বিয়ের হার বাড়াতে পারছে না। গত বছর দেশটিতে বিয়ের হার কমেছে ১০ শতাংশ, যা ১৯৮০ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
চীনের বেসামরিকবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছর দেশটিতে ৬১ লাখ তরুণ-তরুণী বিয়ে করেছে। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭৬ লাখ, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৫ শতাংশ কম। একই সময়ে বিবাহবিচ্ছেদের হার ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ লাখ ২০ হাজারে।

উইসকন ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনতত্ত্ববিদ ই ফুশিয়ান বলেন, ‘এটা অপ্রত্যাশিত। করোনা মহামারির সময়েও বিয়ের হার এতটা কমেনি। তখন বিয়ের হার কমেছিল মাত্র ১২ দশমিক ২ শতাংশ।’চীনের এই জনতত্ত্ববিদ আরও বলেন, ‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চীন সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাদের জনসংখ্যাগত দুর্বলতার কারণে ভেস্তে যাবে।’বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ চীন। দেশটিতে বর্তমান জনসংখ্যা ১৪০ কোটি, যাদের বড় একটি অংশ দ্রুত বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৮০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা এক-সন্তান নীতির পাশাপাশি দ্রুত নগরায়ণের কারণে চীনের জন্মহার বছরের পর বছর ধরে কমে এসেছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে প্রায় ৩০ কোটি চীনা নাগরিক অবসরে যাবেন।

জনসংখ্যার জন্মহার কমানো ঠেকাতে উঠে পড়ে লেগেছে চীন। এজন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘লাভ এডুকেশন’ চালুর আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে চীনের তরুণ-তরুণীরা উপযুক্ত বয়সে পরিবার গঠন, বিয়ে এবং সন্তান নিতে আগ্রহী হয়। 
গত বছরের নভেম্বরে চীনের স্টেট কাউন্সিল অথবা ক্যাবিনেট স্থানীয় সরকারকে জনসংখ্যার হার বাড়াতে তরুণ-তরুণীতে পরিণত বয়সে বিয়ে করার জন্য উৎসাহ যোগাতে নির্দেশনা দেয়। 

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ